Monday, April 4, 2022

ফরম

 গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত মানবাধিকার সংস্থা 

" আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দুর্নীতি বিরোধী সোসাইটি"

(উন্নয়ন তথ্য সংগ্রহ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বদ্ধপরিকর)


দেশ ও দশের স্বার্থে, দেশ ও প্রবাস থেকে আপনি ও হতে পারেন একজন সদস্য ও  মানবাধিকার কর্মী, মানুষের অধিকার আদায়ে বদ্ধপরিকর।

গভঃ রেজি নং: S-9023



কে মানবাধিকার কর্মী

 



জরুরী সেবা

 


অভিযোগ দায়েরের পদ্ধতি

 

অভিযোগ দায়েরের পদ্ধতি

দুর্নীতি দমন কমিশনের তফশিলভূক্ত অপরাধ সমূহের বিবরণসহ কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান/ পরিচালক বিভাগীয় কার্যালয়/ উপপরিচালক সমন্বিত জেলা কার্যালয় বরাবর নিম্নবর্ণিত তথ্য সম্বলিত অভিযোগ দাখিল করা যাবে। এছাড়াও দুর্নীতি দমন কমিশনের এ অভিযোগ প্রেরণ করা যাবে। 

দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দায়েরের ছক:

১. অভিযোগের বিবরণ ও সময় কালঃ 
২. অভিযোগের সমর্থনে তথ্য-উপাত্ত এর বিবরণঃ 
৩. অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম, পদবী ও ঠিকানাঃ 
৪. অভিযোগকারী (যদি থাকে) নাম ঠিকানা ওটেলিফোন নম্বরসহ অভিযোগ দাখিল করতে পারবে।

106%20%281%29

 

লিখিত অভিযোগ জানাতে:
১। 'চেয়ারম্যান/কমিশনার, দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয়, ১ সেগুন বাগিচা, ঢাকা'  বরাবর।
২। 'বিভাগীয় পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন, বিভাগীয় কার্যালয়, ঢাকা/চট্টগ্রাম/রাজশাহী/খুলনা/সিলেট' বরাবর।
৩।'উপপরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন,  সমন্বিত জেলা কার্যালয় (অপরাধটি যে সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের অধীন সংঘটিত)' বরাবর।
৪। ই-মেইল: chairman@acc.org.bd 

দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের তফসিলভুক্ত অপরাধ

 


👉 সরকারি কর্তব্য পালনের সময় সরকারি কর্মচারী/ব্যাংকার/সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত যে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক উৎকোচ (ঘুষ)/উপঢৌকন গ্রহণ;


👉 সরকারি কর্মচারী/সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত যে কোনো ব্যক্তি বা অন্য কোনো যে কোনো  ব্যক্তির অবৈধভাবে নিজ নামে/বে-নামে সম্পদ অর্জন; 


👉 সরকারি অর্থ/সম্পত্তি আত্মসাৎ বা ক্ষতিসাধন;


👉 সরকারি কর্মচারী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে ব্যবসা/বাণিজ্য পরিচালনা;


👉 সরকারিকর্মচারী কর্তৃক জ্ঞাতসারে কোনো অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষার প্রচেষ্টা;


👉 কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনকল্পে সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আইন অমান্যকরণ ; 


👉  মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ এবং 


👉 সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী/ব্যাংকার কর্তৃক জাল-জালিয়াতি এবং প্রতারণা ইত্যাদি।

 


কোথায় অভিযোগ করবেনঃ 

👉 কমিশনের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ (Anti-Corruption Commission - Bangladesh).


👉 কমিশনের ই-মেইল (chairman@acc.org.bd)


👉 যে কোনো টেলিফোন বা মোবাইল নম্বর থেকে দুদক অভিযোগকেন্দ্রের হটলাইন-১০৬ এ টোল ফ্রি টেলিফোনের মাধ্যমে এবং বিদেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা +8809612106106 -নম্বরে কল করার মাধ্যমে ।


👉 এছাড়া লিখিতভাবে কমিশনের চেয়ারম্যান/কমিশনার বরাবরে দুদক প্রধান কার্যালয় , ১ সেগুনবাগিচা, ঢাকার ঠিকানায় অথবা ৮ টি বিভাগীয় কার্যালয়ে বিভাগীয় পরিচালক বরাবরে (অপরাধটি যে বিভাগের অধীন সংঘটিত), দুর্নীতি দমন কমিশন, বিভাগীয় কার্যালয় ঢাকা/চট্টগ্রাম/রংপুর/ময়মনসিংহ/ রাজশাহী/খুলনা/বরিশাল/সিলেট ।


অথবা


👉 কমিশনের ২৩ টি সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক বরাবরে (অপরাধটি যে সমনি¦ত জেলা কার্যালয়ের অধীন সংঘটিত), দুর্নীতি দমন কমিশন, সমনি¦ত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১/ঢাকা-২/টাঙ্গাইল/ফরিদপুর/ময়মনসিংহ/চট্টগ্রাম-১/চট্টগ্রাম২/রাঙ্গামাটি/কুমিল্লা/নোয়াখালী/রাজশাহী/বগুড়া/পাবনা/রংপুর/দিনাজপুর/খুলনা/কুষ্টিয়া/যশোর/বরিশাল/পটুয়াখালী/সিলেট/হবিগঞ্জ/কক্সবাজার বরাবর অভিযোগ দায়েরর সুযোগ রয়েছে।

সদস্য হতে রেজিষ্ট্রেশন করুন

 

লিংকটি তে ক্লিক করে রেজিষ্ট্রেশন করুন।

 https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfsOrQSQbUlMH1Ir7fRrBIwgl7_BXraeKnDBJmVKbIMBkaXvQ/viewform?usp=pp_url

মানবাধিকার

 

মানবাধিকার 

আধুনিক সমাজ ও সভ্যতায় মানবাধিকার অনিবার্যভাবেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের ধনী-নির্ধন নির্বিশেষে সকল দেশের মানুষের কাছে ‘মানবাধিকার’ শব্দটি বহুল পরিচিত। প্রত্যেক মানুষকে মানুষ হিসাবে বাঁচতে হলে কতকগুলাে অধিকার নিয়ে বাঁচতে হয়। মানবাধিকার বিশ্বজুড়ে সর্বজনীন ঘােষণার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে । Human Rights -এর বাংলা পরিভাষা মানবাধিকার । বস্তুত, মানবাধিকার বলতে বােঝায় মানুষের অধিকার। অর্থাৎ মানুষের মৌলিক অধিকারসহ সকল প্রকার অধিকারই মানবাধিকারের অন্তর্ভুক্ত। যদিও মানবাধিকার বিষয়টি আপেক্ষিক। এটি দেশ কাল পাত্রের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। মানবাধিকারের প্রথম ধারণা পাওয়া যায় খ্রিষ্টপূর্ব দুই হাজার বছরেরও আগে পৃথিবীর প্রাচীনতম আইন সংকলন ব্যাবিলনের রাজা হাম্বুরাবির নিয়মাবলিতে। কিন্তু আধুনিক মানবসভ্যতায় ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের রাষ্ট্রসমূহ মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘঘাষণাপত্র অনুমােদন করে। পরবর্তীতে জাতিসংঘ একের পর এক সামগ্রিক অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণের জন্য ক্রমাগত বিভিন্ন মানবাধিকার সনদ পাশ করে চলছে। সেই অনুযায়ী জাতিসংঘে অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি রাষ্ট্র ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস’ পালন করে আসছে। 

অন্যান্য দেশের মতাে বাংলাদেশের সংবিধানেও মানবাধিকারের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানে মানুষের অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসার নিশ্চয়তা, কর্মের অধিকার, উপযুক্ত পারিশ্রমিকের অধিকার, বিশ্রাম ও অবকাশের অধিকার, অসহায়তার অভিশাপ থেকে মুক্তির নিশ্চয়তাসহ বাক্ স্বাধীনতা, সংগঠনের অধিকার, সম্পত্তির অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবাধিকার সংরক্ষণ ও বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে শিক্ষাহীন জনগােষ্ঠীকে শিক্ষা গ্রহণে সচেষ্ট করা, তাদের হৃদয়বৃত্তির বিকাশ ঘটানাে, তাদের সততা ও ন্যায়ের চেতনা সম্পর্কে অবহিত করা মানবাধিকারের প্রথম শর্ত। মানবাধিকার রক্ষায় ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সার্বিক দায়িত্ব পালন করা জরুরি। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি তথা গণতান্ত্রিক মূল্যবােধকে ধারণ করে পরস্পরের প্রতি মমতা, ভালােবাসা ও সহনশীলতার মধ্য দিয়ে সমাজ এগিয়ে যাবে- এটাই একটি সভ্য সমাজের ন্যূনতম বাসনা। আর এই বাসনা পূরণে মানবতার চর্চা করা এবং মানবাধিকার রক্ষা করা অনিবার্য ও অনস্বীকার্য।

ফরম

 গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত মানবাধিকার সংস্থা  " আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দুর্নীতি বিরোধী সোসাইটি" (উন্নয়ন তথ্য সংগ্রহ ও...